Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts
Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts
যুক্তরাষ্ট্রে গোলাগুলিতে নিহত ২

যুক্তরাষ্ট্রে গোলাগুলিতে নিহত ২


যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল শহরে গোলাগুলির ঘটনায় দু'জন নিহত হয়েছে। গুলিবিদ্ধ হয়ে আরও দু'জন আহত হয়েছে। এদের অবস্থা গুরুতর। অজ্ঞাত এক বন্দুকধারী এলোপাতাড়ি গুলি চালালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

ওই বন্দুকধারী প্রথমে এক নারীকে গুলি করে। এরপর সে রাস্তায় হেঁটে যেতে যেতে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। সে একটি বাস লক্ষ্য করে গুলি চালালে ওই বাসের চালক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
এরপর ওই হামলাকারী এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করে তার গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। সন্দেহভাজন ওই হামলাকারীকে আটক করেছে পুলিশ। তবে তার এ ধরনের হামলার পেছনে সঠিক কারণ জানা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, শহরের উত্তরে ওই হামলার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া উত্তর-পূর্বদিকে স্যান্ড পয়েন্ট ওয়ের কাছ থেকে সন্দেহভাজন হামলাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। তবে তার আঘাত গুরুতর নয় বলে জানানো হয়েছে।
শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ নিষিদ্ধ করছে ফেসবুক

শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ নিষিদ্ধ করছে ফেসবুক


অবশেষে ‘শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ’ নিষিদ্ধ করছে জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। বুধবার ফেসবুকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী সপ্তাহ থেকে, ফেইসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ‘শ্বেত জাতীয়তাবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদকে’ উসকে দেয়, এমন পোস্ট আটকে দেয়া হবে।

এছাড়া বিভিন সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় এমন কন্টেন্টের ফেসবুক পাতা ও গ্রুপ মুছে ফেলা হবে। এছাড়া নতুন করে এমন কন্টেন্টের পোস্টও কেউ যাতে ছড়াতে না পারে তার ব্যবস্থাও করবে ফেসবুক।

‘শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ’ নিষিদ্ধের ব্যাপারে ফেসবুক জানায়, এ বিসয়টি নিয়ে তারা সাধারন মানুষ ও বিশেষজ্ঞদের মতামত ও আলোচনা করেছেন। এরপরই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

গত ১৫ মার্চ নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দুইটি মসজিদে হামলা চালায় শ্বেতাঙ্গ সন্ত্রাসী ব্রেন্টন টারান্ট।

এতে ৫০ জন মুসল্লি নিহত হন। আহত হয় ৪০ জনের বেশি। হামলার পুরো ঘটনা ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচার করে টারান্ট। এরপর বিশ্বব্যাপী ওই হামলার ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

এজন্য ব্যাপক তোপের মুখে পড়ে ফেসবুক। অবশ্য ফেসবুক দাবি করেছে ওই হামলার প্রায় ১৫ লাখ ভিডিও অপসারণ করেছে তারা।
ফের জম্মু-কাশ্মিরে সংঘর্ষ, নিহত ৩

ফের জম্মু-কাশ্মিরে সংঘর্ষ, নিহত ৩


ফের সংঘর্ষ ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরে। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের গোলাগুলিতে তিন জন নিহত হয়েছে। খবর এনডিটিভির।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে জম্মু-কাশ্মিরের শোপিয়ান জেলার কেলার এলাকায় এ সংঘর্ষ ঘটেছে।
দেশটির সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ) সেনা বাহিনী ও পুলিশ বাহিনী যৌথ অভিযানের সময় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলার শিকার হয়। এসময় পাল্টা আক্রমণে ৩ জন বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত হয়।
লোকসভায় প্রার্থী হচ্ছেন ঊর্মিলা?

লোকসভায় প্রার্থী হচ্ছেন ঊর্মিলা?


ভারতের লোকসভা নির্বাচনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আসনের ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থাকতে বড় পর্দা কিংবা ছোট পর্দার তারকাদের ওপর নির্ভর করছে বড় রাজনৈতিক দলগুলো। যে আসনগুলোতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের দিয়ে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম, সেসব আসনের জন্য তারকাদের কাছে ছুটছে দলগুলো। উত্তর মুম্বাই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি আসন। গত লোকসভা নির্বাচনে এ আসনে বিজেপি দলীয় প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

এর আগে এ আসন থেকে প্রয়াত অভিনেতা সুনীল দত্ত পাঁচবার নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে নির্বাচিত হন তাঁর মেয়ে প্রিয়া দত্ত। শোনা যাচ্ছে, আসনটি পুনরুদ্ধার করতে বড় পর্দার একসময়ের জনপ্রিয় তারকা ঊর্মিলা মাতন্ডকরকে এবার প্রার্থী করতে চায় কংগ্রেস। এ ব্যাপারে নাকি এই নায়িকার সঙ্গে দেশের অন্যতম বড় এই রাজনৈতিক দলের একটি মহলের আলোচনা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে মুম্বাইয়ে কংগ্রেসের সভাপতি সঞ্জয় নিরুপম ও ঊর্মিলার পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ কোনো মন্তব্য করেননি।

বলিউডের বড় বড় তারকা থাকতে ঊর্মিলা মাতন্ডকর কেন? জানা গেছে, তিনি সেই এলাকার বাসিন্দা, আসনটিতে কংগ্রেসের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে আর ঊর্মিলার তারকাখ্যাতি—ভোটে জয়ী হওয়ার জন্য এই সব কটি সুযোগকে একসঙ্গে কাজে লাগাতে চাচ্ছে কংগ্রেসের স্থানীয় নেতারা। এ আসনে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী হচ্ছেন লোকসভার বর্তমান সাংসদ গোপাল শেঠি।

তবে এটা এখনো নিশ্চিত, ঊর্মিলা যে প্রার্থী হচ্ছেন, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আগামী ২৯ এপ্রিল মহারাষ্ট্রের ১৭টি লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচন হবে।
ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে গণহত্যা দিবস পালন

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে গণহত্যা দিবস পালন


১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে নিহতদের স্মরণে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে গণহত্যা দিবস পালন করা হয়েছে। দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী,তাদের পরিবার এবং বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিনের নেতৃত্বে মোমবাতি জ্বালিয়ে দূতাবাস প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিন করে গণহত্যা ও স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে গণহত্যায় নিহত শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। 
রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন বলেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ২৫ মার্চ রাতে ঘুমন্ত নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর নির্বিচারে গুলি চালায়। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় আসে।
২৫ মার্চের গণহত্যাকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এবার যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদে আগুন দিল দুর্বৃত্তরা

এবার যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদে আগুন দিল দুর্বৃত্তরা


যুক্তরাষ্ট্রের একটি মসজিদে দুর্বৃত্তদের আগুন লাগানোর খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় রোববার ভোর ৩টার দিকে দেশটির সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি মসজিদে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।নিউজিল্যান্ডে মসজিদে বর্বরোচিত হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই যুক্তরাষ্ট্রের মসজিদে এই হামলার ঘটনা ঘটলো। ফক্স নিউজ।
স্থানীয় মিডিয়ার খবরে আরও বলা হয়, হামলার পর মসজিদটি থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করে ক্যালিফোর্নিয়া পুলিশ। সেই চিরকুটে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে হামলার ঘটনার উল্লেখ রয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা। হামলার সময় মসজিদটির ভেতরে অন্তত সাতজন মুসল্লি ছিলেন। তবে কেউ হতাহত হয়নি বলে জানা গেছে। তবে আগুনে মসজিদটির বাইরের অংশে সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার স্যান ডিয়াগো শহর থেকে ৪৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ইসলামিক সেন্টার অব এসকনডিডোতে হালকা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে বিবৃতি দিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়া পুলিশ।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, ঘটনার ১৫ মিনিটের মাথায় ঘটনাস্থলে পুলিশ ও জরুরি সেবা পৌঁছায়। এসময় মসজিদের ভেতরের মুসল্লি ও বাইরের কেউ হতাহত হননি।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা পৌঁছানোর আগেই মসজিদের মুসল্লিরা অগ্নি নির্বাপক সরঞ্জাম ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রেণে আনেন বলে জানান তারা।
উদ্ধারকৃত চিরকুট বিষয়ে ক্যালিফোর্নিয়া পুলিশের কর্মকর্তা ক্রিস লিক স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল কেএনএসডিকে বলেন, মসজিদের পার্কিং লটের কাছে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। এতে সম্প্রতি শ্বেতাঙ্গ জঙ্গি কর্তৃক নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে হামলায় ৫০ জনের নিহতের তথ্য উল্লেখ রয়েছে।
চিরকুটে লেখা আরও কিছু তথ্য বিষয়ে তদন্তের খাতিরে স্থানীয় গণমাধ্যমে বিস্তারিত জানাতে রাজি হননি তিনি। ঘটনাটিকে হেট ক্রাইম হিসেবে ধরে তদন্তে নেমেছে ক্যালিফোর্নিয়া পুলিশ।
এছাড়া সন্দেহভাজন অগ্নিসংযোগকারীর ব্যাপারেও কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি তদন্তকারী কর্মকর্তারা। আক্রান্ত মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি ইউসুফ মিলার বলেন, নামাজ শেষে রাতে মসজিদে ৭ জন মুসিল্লি ঘুমিয়েছিলেন। ভোরের দিকে গোপনে এসে আগুন ধরিয়ে দিয়ে যায় দুবৃত্তরা।
এসময় কমপ্লেক্সের পার্কিং লটে একটি চিঠি পাওয়া যায়। যেখানে নিউজিল্যান্ডের ওই হামলা ঘটনার কথা উল্লেখ রয়েছে। এ ঘটনার বিবৃতি দিয়ে স্টাফ নিউজিল্যান্ড ও এবিসি৭ গণমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ওই হামলা ঘটনায় মোটেই ভীত নন স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়।
গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে ওই মসজিদের মুসল্লিরা বলেন, মসজিদে এসব হামলা চালিয়ে আমাদের নামাজ বন্ধ করা যাবে না। আমরা কখনই নামাজ বন্ধ করবো না। মসজিদে একত্রিত হওয়াও বন্ধ করবো না।
এসকনডিডোর এই মসজিদটি চার বছর আগে নির্মাণ করা হয়। ১ লাখ ৪৩ হাজার মানুষের এই শহরে অনেকেই মসজিদটিতে নামাজের জন্য আসেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও দেশটিতে একাধিকবার মসজিদে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটে।ডোনাল্ট ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর দেশটিতে মুসলিম বিদ্বেষ এবং বর্ণ বিদ্বেষী প্রবণতা বাড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কঙ্গোতে বিদ্রোহীদের সাথে সংঘর্ষে ৭ শান্তিরক্ষী নিহত

কঙ্গোতে বিদ্রোহীদের সাথে সংঘর্ষে ৭ শান্তিরক্ষী নিহত



ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহী মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে এক সংঘর্ষে জাতিসংঘের সাতজন শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন। এতে আরো ১০ জন আহত হয়েছেন এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন। হতাহতরা তাঞ্জানিয়া এবং মালাউইর শান্তিরক্ষী বলে জানা গেছে।

বেনি থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে কিদিদিইউয়ে এ অভিযানকালে এসব সৈন্য নিহত হয়। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ একথা জানায়।

প্রায় এক বছর আগে বিদ্রোহীদের হামলায় ১৫ সৈন্য নিহত হওয়ার পর এসব শান্তিরক্ষীর মৃত্যু কঙ্গোতে জাতিসংঘ বাহিনীর সবচেয়ে বড় ক্ষতি।

কঙ্গোতে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ মিশনের (এমওএনইউএসসিও) শান্তিরক্ষী বাহিনীর সহকারি প্রদান জেনারেল বার্নাড কমিন্স বৃহস্পতিবার বলেন, জিহাদি গ্রুপ অ্যালাইড ডেমোক্রেটিক ফোর্সের (এডিএফ) বিরুদ্ধে মঙ্গলবার কঙ্গো সৈন্যের সহযোগিতায় সেখানে একটি যৌথ অভিযান শুরু করা হয়েছে। দেশটিতে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর রক্তক্ষয়ী হামলা চালানোর জন্য এ গ্রুপকে দায়ী করা হয়।
বিয়ের আগেই ৪৫০ কোটি টাকার বাংলো পেলেন ঈশা!

বিয়ের আগেই ৪৫০ কোটি টাকার বাংলো পেলেন ঈশা!



শিল্পপতি অজয় পিরামলের ছেলে আনন্দ পিরামলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন ভারতের শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানির মেয়ে ইশা আম্বানি।
আগামী ১২ ডিসেম্বর মুকেশ আম্বানির মুম্বাইয়ের বাসভবনেই বসবে এই বিয়ের আসর। দুই পরিবারের আত্মীয়, ঘনিষ্ঠ এবং বন্ধুদের হাজিরায় বিয়েতে এলাহি আয়োজন করা হচ্ছে। যোধপুরেও বিয়ের অনুষ্ঠানের বেশ কিছু অংশ সম্পন্ন করা হবে বলে খবর। কিন্তু, জানেন কি বিয়ের উপহার উপলক্ষে আম্বানি-কন্যাকে কি উপহার দিলেন হবু শ্বশুর অজয় পিরামল?
ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর, বিয়ের পর আনন্দ পিরামলের সঙ্গে নতুন সংসার পাততে হবু বধূকে ইতিমধ্যেই ৪৫০ কোটির একটি বাংলো উপহার দিয়েছেন অজয় পিরামল। মুম্বাইয়ের ওড়লিতে সমুদ্রের দিকে মুখ করেই রয়েছে ওই বাংলো।
ওড়লিতে ৫০ হাজার স্কয়ার ফিটের ওই বাংলো ২০১২ সালে হিন্দুস্থান ইউনিলিভারের কাছ থেকে পিরামল গ্রুপের নামে কিনে নেন অজয় পিরামল। আর সেই বাংলোই এবার হবু পুত্রবধূর নামে করে দিলেন পিরামল গ্রুপের কর্ণধর। ৫তলার বাংলো তাই ইতিমধ্যেই সাজতে শুরু করেছে। ইশা-আনন্দের নতুন জীবনে যাতে কোনও বাধা না আসে, তার জন্যই আগেভাগে ৪৫০ কোটির বাংলো হবু পুত্রবধূকে উপহার দেন অজয় পিরামল।
এবিএন/শংকর রায়/জসিম/পিংকি
চার রোহিঙ্গাকে গুলি করেছে মিয়ানমার পুলিশ

চার রোহিঙ্গাকে গুলি করেছে মিয়ানমার পুলিশ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রাখাইনের পশ্চিমাঞ্চলে চার  রোহিঙ্গাকে গুলি করে আহত করেছে মিয়ানমারের পুলিশ। রোববার আহ নাউক ইয়ে রোহিঙ্গা শিবিরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

রাখাইনের রাজধানী সিতওয়ে থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরটিতে প্রায় ২০ পুলিশ প্রবেশ করে। এসময় তারা  শুক্রবার ১০৬ রোহিঙ্গাকে সাগরপথে পাচারে ব্যবহৃত একটি নৌকার  দুই মালিককে আটক করে।

মাউং মাউং নামে প্রত্যক্ষদর্শী ২৭ বছরের এক রোহিঙ্গা জানান, গুলিতে দুজন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর।

রয়টার্সকে তিনি টেলিফোনে বলেন, ‘তাদেরকে দেখার জন্য লোকজনকে শিবির থেকে বের হয়েছিল। পুলিশকে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

মিয়ানমারের পুলিশ দাবি করেছে, রোহিঙ্গারা তলোয়ার নিয়ে তাদের ঘিরে রেখেছিল এবং তাদের প্রতি পাথর ছুড়েছিল। ওই ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়।

পুলিশের পরিদর্শক থান হতে বলেন, ‘আমি শুনেছি শিবিরের বাঙালিরা গ্রেপ্তারকৃতদের পুলিশের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল এবং পুলিশ সতর্কতার জন্য গুলি ছুড়েছিল।

প্রসঙ্গত মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের বাঙালি হিসেবে আখ্যায়িত করে।

তবে মাউং মাউং পুলিশের এ দাবি মিথ্যা দাবি করে জানিয়েছে, পুলিশ শিবিরে থাকা লোকজনকে লক্ষ্য করে গুলি করেছে, ফাঁকা গুলি করেনি।

পিকেআর প্রেসিডেন্ট হলেন আনোয়ার ইব্রাহিম

পিকেআর প্রেসিডেন্ট হলেন আনোয়ার ইব্রাহিম



পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর এবার পিপলস জাস্টিস পার্টির(পিকেআর) প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন দেশীটর প্রবাদপ্রতীম রাজনীতিক আনোয়ার ইব্রাহিম। ২০০৩ সালে আনোয়ার ইব্রাহিম দলটি প্রতিষ্ঠা করলেও তিনি এর নেতৃত্বে আসতে পারেননি একের পর এক রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও মামলার কারণে।
এতদিন দলটির নেতৃত্বে ছিলেন বর্তমান মালয়েশিয়ার বর্তমান উপ-প্রধানমন্ত্রী ও আনোয়ার ইব্রাহিমের স্ত্রী ডা. ওয়ান আজিজাহ ইসমাইল। রোববার দলের কাউন্সিলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন আনোয়ার ইব্রাহিম। এছাড়া কাউন্সিলরদের ভোটে ডেপুটি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন আজমিন আলী।
নির্বাচিত চার জন ভাইস প্রেসিডেন্ট হলেন আনোয়ার কন্যা নুরুল ইজ্জাহ আনোয়ার, জুরাইদা কামারুদ্দিন, তিয়ান চুয়া ও জাভিয়ের জয়কুমার। একই দিন দলটির যুব সংগঠন ও নারী শাখার প্রধান এবং ২০ সদস্যের কেন্দ্রিয় কাউন্সিল নির্বাচিত করা হয়।
পিকেআর বর্তমানে মালয়েশিয়ার ক্ষমতাসীন জোট পাকাতান হারাপানের সবচেয়ে বড় দল। এই দলটির নেতৃত্বেই মূলত পাকাতান হারাপান গত এপ্রিলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছে।
 এবারের নির্বাচনই শেষ সুযোগ

এবারের নির্বাচনই শেষ সুযোগ



আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারা ও আইনের শাসনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দেবে। সে অর্থে এই নির্বাচনই শেষ সুযোগ। তবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, সরকারের সমালোচক, আইনজীবীসহ নাগরিক সমাজের ওপর দমন-পীড়ন এবং বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুমসহ বিভিন্ন ঘটনা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও হুমকির মুখে।
ফ্রান্সের স্ট্রাসবুর্গে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে অনুষ্ঠিত বিতর্কে পার্লামেন্টের সদস্যদের বক্তব্যে এসব কথা উঠে আসে। বিতর্ক শেষে ভোটাভুটির মাধ্যমে এ বিষয়ে একটি খসড়া প্রস্তাব গৃহীত হয়। এতে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। মানবাধিকার পরিস্থিতি, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব হওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সেই সঙ্গে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনেরও আহ্বান জানানো হয়।
বিতর্কে অংশ নিয়ে অস্ট্রিয়ার রাজনীতিক জোসেফ ভাইদেনহোলজার বলেন, চলতি বছরের শেষে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আসন্ন এই জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য অনেক দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনই শেষ সুযোগ, যেখানে নির্ধারিত হবে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারা ও আইনের শাসন অব্যাহত থাকবে, নাকি পরিস্থিতি অরাজকতা আর বিশৃঙ্খলার দিকে ধাবিত হবে। যদি পরিস্থিতি খারাপের দিকেই যায়, তার প্রভাব ইউরোপেও পড়বে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক কর্মী ও মানবাধিকার কর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন বেড়েই চলেছে। বিচারবহির্ভূত হত্যা, গণগ্রেপ্তার ও গুমের অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকির মুখে।
ভাইদেনহোলজার বলেন, বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনে বিরোধী দলের নেত্রী খালেদা জিয়া অংশ নিতে পারবেন না। বিরোধীরা অভিযোগ করেছে, তাঁকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি বাংলাদেশের সরকারের প্রতি সহায়ক পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান, যেখানে মানুষ ভয়হীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারে এবং সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রস্তুতি নিতে পারে।
ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টে কনজারভেটিভ দলের সদস্য চার্লস টানোক বলেন, বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রেই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু এর বিপরীতে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে, যার একটি উদাহরণ হতে পারে আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে গ্রেপ্তারের ঘটনা।
ইতালির রাজনীতিক ইগনাসিও করাও মানবাধিকার পরিস্থিতির দিক থেকে বাংলাদেশকে ফিলিপাইন ও সৌদি আরবের সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখার জন্য অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানান।
চেক রাজনীতিক টমাস জেকোভস্কি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অংশীদার ও সমর্থক। কিন্তু দেশটিতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার হচ্ছে। সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবীসহ নাগরিক সমাজের অনেকেই নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে। তিনি বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলোর ব্যাপারে স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানান।
ব্রিটিশ রাজনীতিক সাজ্জাদ করিম বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নে আরও অনেক কিছু করা বাকি। লিথুয়ানিয়ার রাজনীতিক পেত্রাস অস্ত্রেভিসাস ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করার এবং আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানান।
পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এক বক্তা বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন যদি অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ না হয়, তাহলে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারা ব্যাহত হবে। আরেক বক্তা বাংলাদেশে শ্রম পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশে এখনো শিশুশ্রম অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া কর্মক্ষেত্রের পরিবেশও সহায়ক নয়।
রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের জনগণ ও সরকার যে উদারতা দেখিয়েছে, তার প্রশংসা করেন বেশ কয়েকজন বক্তা। তবে রোহিঙ্গাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন না করে তাদের মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তাঁরা।
সবশেষে ইইউয়ের মানবিক সহায়তা ও সংকট ব্যবস্থাপনা–বিষয়ক কমিশনার ক্রিসটোস স্টাইলিয়ানিডস বলেন, বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিতই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে ইইউ। এরপরও দেশটিতে সাংবাদিক, শিক্ষার্থীরা আক্রান্ত হচ্ছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাসের ফলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্বিত হয়েছে। তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচন স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সরকারের প্রতি সবার জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টিরও আহ্বান জানান তিনি।
বিতর্ক শেষে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে একটি খসড়া প্রস্তাব গৃহীত হয় ইউরোপীয় পার্লামেন্টে। এতে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে, বিশেষ করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকির মুখে থাকা, শিক্ষার্থী, মানবাধিকারকর্মী ও বিরোধী দলের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের ওপর দমন-পীড়নের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সাবেক রাষ্ট্রদূত মারুফ জামান ও মির আহমেদ বিন কাসিম নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায়ও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের প্রতি বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও ক্ষমতার ব্যাপক ব্যবহারের অভিযোগগুলোর ব্যাপারে স্বাধীন তদন্ত করার আহ্বান জানানো হয়। গত মে মাসে জাতিসংঘের পর্যালোচনার (ইউএন ইউপিআর) সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করে নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার এবং নারী অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
খসড়া প্রস্তাবে আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন, সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান বাতিল, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মানদণ্ড অনুযায়ী শ্রম আইন সংস্কার, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে ‘বিশেষ পরিস্থিতিতে ১৮ বছরের কম বয়সে বিয়ের’ বিধান বাতিল, রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত এবং মানবাধিকার নিশ্চিতে চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের আহ্বান জানানো হয়।
আগেরবারের মতো প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন চায় না ভারত

আগেরবারের মতো প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন চায় না ভারত


বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হোক এবং গণতান্ত্রিক সব দল তাতে অংশ নিক, এটাই ভারত দেখতে চায়। ভারত একেবারেই চায় না, আগেরবারের মতো এবারের নির্বাচন কোনোভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হোক।
আসন্ন ভোট নিয়ে বাংলাদেশের সর্বস্তরে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও অংশগ্রহণে রাজনৈতিক দলগুলোর আগ্রহ ভারত লক্ষ করছে। ভারতের উৎফুল্ল হওয়ার এটা অন্যতম প্রধান কারণ। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা সম্প্রতি সে কথা জানিয়েছেনও। বলেছেন, নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হতে যাচ্ছে দেখে ভারত আনন্দিত। আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য না করলেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মনে করছে, সংবিধান অনুযায়ী ঠিক সময়েই ভোট হবে এবং সেই ভোট হবে অংশগ্রহণমূলক। বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত থাকবে।
তবে মনোনয়ন ফরম কেনা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বিরোধী দলের সমর্থকদের সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ঘটনা ভারতকে কিছুটা চিন্তায় ফেলেছে। ভারত মনে করে, এই ঘটনা অনভিপ্রেত। ভারত চায় না, নির্বাচন ঘিরে হিংসা মাথাচাড়া দিক। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র এ প্রসঙ্গে বলেছে, হিংসা ছড়ালে তাদেরই সুবিধা হয়, যারা গণতন্ত্রকে মানতে চায় না। সূত্রের কথায়, এটা যেমন সত্যি, তেমনি এটাও বোঝা যাচ্ছে, ভোটে অংশ নিতে মানুষ কত ব্যগ্র। সংঘর্ষের ঘটনা সেই তাগিদেরই প্রতিফলন।
বাংলাদেশের প্রতিটি নির্বাচন যিনি সব সময় গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে আসছেন, ভারতের সেই সাবেক পররাষ্ট্রসচিব মুচকুন্দ দুবে এই হিংসাকে খুব বেশি গুরুত্ব দিতে অবশ্য রাজি নন। গতকাল শুক্রবার তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘সহিংসতা সমর্থনীয় নয়। তবে আমাদের দেশের মতো পশ্চিমা দেশেও ভোটকে কেন্দ্র করে হিংসা ছড়ায়। ২০১৪ সালের ভোটের আগে-পরে যে ধরনের সহিংসতা দেখা গিয়েছিল, এবারের ঘটনা তার সঙ্গে তুলনীয় নয়। পরিকল্পিতও নয় বলে আমার ধারণা।’ দুবে বলেন, ‘একটা বিষয় মনে রাখা দরকার, বাংলাদেশের মানুষের কাছে ভোট একটা উৎসবের মতো। সামরিক শাসনের সময়ও সেই উৎসব দেখা গেছে, গণতান্ত্রিক শাসনের সময়ও। আমি আশা করব, প্রশাসন এই বিষয়টি মনে রাখবে এবং হিংসা যাতে না ছড়ায়, সে জন্য সজাগ থাকবে।’
মুচকুন্দ দুবের মতো দেব মুখার্জিও বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার ছিলেন। এবারের নির্বাচনকে তাঁরা দুজনেই যথেষ্ট ইতিবাচক বলে মনে করছেন। দেব মুখার্জি প্রথম আলোকে বলেন, এবার সরকারের মনোভাব যেমন ইতিবাচক, বিরোধী দলগুলোর মনোভাবও তেমন। আগেরবার এই ইতিবাচক অবস্থান দেখা যায়নি। মনোভাবের ক্ষেত্রে এটা একটা বড় পরিবর্তন। সেই পরিবর্তনই এবার সবাইকে নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী ও উৎসাহী করে তুলেছে। মুচকুন্দ দুবে ইতিবাচক বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘এবার শুরু থেকেই সব মহল ঠিক দিকে এগিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নমনীয় হয়েছেন। বিরোধী জোটের নেতাদের সঙ্গে তিনি সংলাপে বসেছেন। বিরোধীরাও ভোটে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনও বিরোধী জোটের দাবি মেনে ভোট গ্রহণের দিন পিছিয়েছে। এবার কোনো পক্ষই আগের বারের মতো ঋজু নয়। ফলে আশা করা যেতেই পারে, এবারের ভোট সুষ্ঠু ও অবাধ হবে। শান্তিতে হবে। ভোট লুট হবে না।’ দুই সাবেক হাইকমিশনার বলেন, এবার ভোটের পর যারাই সরকার গড়ুক, সেই সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না।
ভারত মনে করছে, ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্র মজবুত হচ্ছে এবং সেটাই সবচেয়ে ইতিবাচক দিক। হর্ষ বর্ধন শ্রিংলাও এই কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের পাশে বসে সম্প্রতি তিনি বলেন, ‘প্রতিবেশীদের গুরুত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের তালিকায় বাংলাদেশ শীর্ষে রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নে বাংলাদেশকে পাশে নিয়েই ভারত এগোতে চায়।’ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সূত্রের কথায়, এই লক্ষ্য পূরণের জন্য বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার শক্তিসঞ্চয় যেমন জরুরি, তেমনই প্রয়োজন গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল শক্তির বিকাশ। ভারত মনে করছে, এবারের নির্বাচন সেই লক্ষ্যে আরও কয়েক কদম এগিয়ে যাবে।
ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের সেন্টার ফর সিকিউরিটি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজির ডিরেক্টর অলোক বনসল এই নির্বাচনকে পর্যবেক্ষণ করছেন উপমহাদেশের সার্বিক উন্নয়নের পরিপ্রেক্ষিতে। গতকাল প্রথম আলোকে তিনি বলেন, এই উপমহাদেশের ভাগ্য নির্ভর করছে একের সঙ্গে অন্যের সহযোগিতার ওপর। সহযোগিতা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য যেমন প্রয়োজন, তেমনি গুরুত্বপূর্ণ সন্ত্রাসবাদী ও ধর্মীয় মৌলবাদী অপশক্তির মোকাবিলায়। বনসলের কথায়, বাংলাদেশে যে দল বা জোট ক্ষমতায় আসুক, ভারত চাইবে তারা এই অপশক্তিকে মোকাবিলা করে দেশের উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করুক। তিনি বলেন, গত পাঁচ বছরে বিরোধীহীন সংসদ বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে মজবুত করেনি। সুখের কথা, ওই দেশের বিরোধীরা তা উপলব্ধি করেছে। এবার নতুন জোটবদ্ধতা দেখা যাচ্ছে। সেই জোট নতুন বিরোধী নেতৃত্বের জন্ম দেয় কি না, এবারের ভোট সেই আগ্রহেরও জন্ম দিয়েছে।
বাংলাদেশের এবারের নির্বাচন নিয়ে ভারত চুপ কেন?

বাংলাদেশের এবারের নির্বাচন নিয়ে ভারত চুপ কেন?


বাংলাদেশে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে জোরালোভাবে সমর্থন জানিয়ে এসেছিল প্রতিবেশী দেশ ভারত। ওই নির্বাচনকে সফল করার লক্ষ্যে ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্র সচিব নির্বাচনের ঠিক আগে ঢাকা সফর পর্যন্ত করেছিলেন।
কিন্তু বাংলাদেশের এবারের আসন্ন নির্বাচনে ভারতের কোনো তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে না। বাংলাদেশের এবারের নির্বাচন নিয়ে ভারত চুপ কেন? এমন প্রশ্ন অনেকের।
পর্যবেক্ষকরাও মনে করছেন, পাঁচ বছর পর বাংলাদেশে পরবর্তী নির্বাচনকে ঘিরে ভারত কিন্তু এবার অনেকটাই নিস্পৃহ। এই নির্বাচনের প্রাক্কালে ভারতের দিক থেকে তেমন কোনো সক্রিয়তাই চোখে পড়ছে না।
কিন্তু কেন ভারত এ ধরনের অবস্থান নিচ্ছে? বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনকেই বা তারা কী চোখে দেখছে?
আসলে বাংলাদেশে ২০১৪ এর নির্বাচনের সময় ভারতের দিক থেকে যে ধরনের অতিসক্রিয়তা ছিল, পাঁচ বছর পর এবারে তার কিন্তু ছিটেফোঁটাও নেই।
এ বছরেই নেপাল বা মালদ্বীপে নির্বাচন হয়েছে। সেখানেও ভারতের দৃশ্যমান কোনো ভূমিকা চোখে পড়েনি।
বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দিল্লিতে ইন্সটিটিউট ফর ডিফেন্স স্টাডিজ অ্যান্ড অ্যানালিসিসের সিনিয়র ফেলো স্ম্রুতি পট্টনায়ক মনে করছেন- খুব সচেতনভাবেই ভারত এবার বাংলাদেশের নির্বাচন থেকে একটা দূরত্ব বজায় রাখতে চাইছে।
ড. পট্টনায়কের ভাষ্য, '২০১৪-তে ভারত যেভাবে পররাষ্ট্র সচিবকে ঢাকায় পাঠিয়েছিল, সেই অভিজ্ঞতা কিন্তু খুব সুখকর হয়নি। সেটাকে অনেকেই ভারতের হস্তক্ষপ হিসেবে দেখেছিলেন। যদিও ভারতের আসল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশে একটা সাংবিধানিক বিপর্যয় এড়ানো।'
তিনি মনে করেন, কিন্তু এখন বাংলাদেশের রাজনীতি যে ধরনের পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে তাতে ভারতের উদাসীন থাকাটাই উচিত, আর ভারতও ঠিক সেটাই করছে। ভুললে চলবে না, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কও এর মাঝে অনেক পরিণত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে।
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত পিনাকরঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, বাংলাদেশে বিগত নির্বাচনে বিএনপি জোট অংশ নিতে রাজি হয়নি বলেই সেই নির্বাচনকে ঘিরে অত প্রশ্ন উঠেছিল। কিন্তু এবারে নির্বাচন অনেকটাই অংশগ্রহণমূলক হতে যাচ্ছে। ফলে ভারতেরও এত মাথা ঘামানোর কোনো প্রয়োজন নেই।
তার ভাষ্য, 'বড় পরিবর্তন বাংলাদেশে যেটা দেখতে পাচ্ছি তা হলো ভারতে যেটাকে আমরা 'মহাগঠবন্ধন' বলি, সেই ধাঁচে ওখানেও বিরোধীদের ঐক্যফ্রন্ট আত্মপ্রকাশ করেছে।'
পিনাকরঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, 'এখন তো আবার যুক্তফ্রন্টও চলে এসেছে। ফলে নির্বাচন সঠিক পথেই আছে মনে হচ্ছে। আর এভাবে যদি সব এগোয় তাহলে তো ২০১৪ এর তুলনায় সেটা সম্পূর্ণ আলাদা!'
তিনি বলেন, 'গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াটা তো এখন স্বাভাবিক পথেই আছে মনে হচ্ছে। সব দলও নির্বাচনে যোগ দিতে চাইছে। কাজেই মনে তো হয় না এই নির্বাচনকে সমালোচনা করার কোনো সুযোগ আছে!'
বাংলাদেশে ভারতের আর এক সাবেক হাইকমিশনার ভিনা সিক্রি বলেন, 'যদিও এটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়, তারপরও বিএনপির নির্বাচনে যোগদান খুবই ইতিবাচক ব্যাপার।'
তার ভাষ্য, 'তারা যেভাবে জোট শরিকদের সঙ্গে কথা বলছে, আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা করছে, যেমনটা স্বাভাবিক নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হয়ে থাকে- সেটা অবশ্যই দারুণ বিষয়।'
সুতরাং ভারত এখানে কী করল, বা কী করল না, ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে তা খোঁজার কোনো দরকারই নেই বলেও মন্তব্য করেন সাবেক এই ভারতীয় হাইকমিশনার।
তিনি বলেন, 'হ্যাঁ, দুদেশের মধ্যেকার অভাব-অভিযোগ বা অমীমাংসিত ইস্যুগুলো নিয়ে অবশ্যই দুদেশের সরকারকেই ডিল করতে হবে। সেটা কিছুটা হয়নি, কিছুটা আবার হয়েছেও। যেমন- স্থল সীমান্ত চুক্তি হয়েছে, সমুদ্রসীমা চুক্তি হয়েছে, প্রচুর বিনিয়োগ হয়েছে এবং আধুনিকীকরণের কাজও হচ্ছে। এগুলো তো একটা সুফল দেবেই!'
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে এই পরিণতি আর ভোটে বিএনপির যোগদান, এই দুটি ফ্যাক্টরই আসলে পাঁচ বছর আগের তুলনায় ভারতের অবস্থানকে আজ পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। পররাষ্ট্রসচিবকে পাঠানো তো দূরে থাক বাংলাদেশের এবারের নির্বাচন নিয়ে তাই এখনো কোনো বিবৃতিও দেয়নি ভারত।
বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে এ কি বলছে ট্রাম্প প্রশাসন!

বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে এ কি বলছে ট্রাম্প প্রশাসন!


যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন চায় বাংলাদেশের আসন্ন সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং সব দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হোক। জনগণের ইচ্ছার সত্যিকারের প্রতিফলন ঘটুক।


বাংলাদেশের জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল সংসদ এবং সামগ্রিকভাবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পুন:প্রবর্তন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন স্কলার ও ঢাকায় দায়িত্বপালনকারী যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলাম। স্থানীয় সময় শনিবার বোস্টনের হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে ‘ইমপ্লিকেশন্স অব টার্গেটিং মিডিয়া অ্যান্ড জার্নালিস্টস অন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি’ শীর্ষক সেমিনারে উইলিয়াম বি মাইলাম এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স অব নর্থ আমেরিকা (বিডিপনা) আয়োজিত ও হার্ভার্ড ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন কাউন্সিল (আইআরসি) এর সহায়তায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে তিনি আরো বলেন, আমি আশা করি বৈশ্বিক কর্তৃত্ববাদের যে ছায়া বাংলাদেশের ওপর পড়েছে সেটি পরাজিত হবে।

রাষ্ট্রদূত মাইলাম তার দীর্ঘ বক্তব্যে বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছাড়াও বিশ্বব্যাপী কতৃত্ববাদের উত্থান, মিডিয়ার সঙ্গে মার্কিন প্রশাসনের বৈরিতা, বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মিডিয়ার স্বাধীনতা, এখানকার প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়া, বিচার ব্যবস্থা, ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন এবং বিএনপির অংশ না নেয়ার ‘ভুল সিদ্ধান্ত’ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া এবং আসন্ন নির্বাচনের জন্য ভিন্নমত সত্বেও বিএনপির সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বৃহত্তর ঐক্য এবং জোট গঠন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন।
মাইলাম বলেন, আমি এখানে আসার আগে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। আমি বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের বিষয়ে খোঁজ-খবর নেয়ার চেষ্টা করেছি। তারা আমাকে যেটা বলেছেন তা হলো এ নির্বাচন প্রশ্নে অত্যন্ত শক্ত অবস্থানে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র


মৃত্যুদণ্ডের মুখে পাঁচ সৌদি কর্মকর্তা, যুবরাজ জড়িত নন

মৃত্যুদণ্ডের মুখে পাঁচ সৌদি কর্মকর্তা, যুবরাজ জড়িত নন



এবার সৌদি আরব বলছে, গোয়েন্দা কর্মকর্তার নির্দেশে সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যা করা হয়েছে এবং সেই ১১ সৌদি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এদের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ চাওয়া

দেশটির রাষ্ট্রীয় প্রধান কৌঁসুলির দ্প্তরের এক মুখপাত্র এসব জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, হত্যাকাণ্ডটি গোয়েন্দা কর্মকর্তার নির্দেশে ঘটেছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নির্দেশে নয়। কর্মকর্তাদের বলা হয়েছিল, সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে বুঝিয়ে দেশে ফিরিয়ে আনতে।এবার সৌদি আরব বলছে, গোয়েন্দা কর্মকর্তার নির্দেশে সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যা করা হয়েছে এবং সেই ১১ সৌদি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এদের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ চাওয়া হয়েছে।
এবার বলা হচ্ছে, তুরস্কের ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে জামাল খাসোগি জোরাজুরি করলে তাঁকে প্রাণঘাতী ইনজেকশন পুশ করা হয়, এতে তাঁর মৃত্যু হয়। ১১ জনের নামে মামলা করে তা আদালতে পাঠিয়েছে আইনজীবীর কার্যালয়। সন্দেহভাজন বাকি ১০ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
বৃহস্পতিবার রিয়াদে এক সংবাদ সম্মেলনে ডেপুটি রাষ্ট্র্রীয় আইনজীবী শালান বিন রাজিহ শালান অবশ্য স্বীকার করেছেন, কনস্যুলেটের ভেতর খাসোগির মৃত্যু হলে তাঁর মরদেহ টুকরো টুকরো করা হয়েছিল।
পরে মরদেহ স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে ওই স্থানীয় ব্যক্তির পরিচয় জানানো হয়নি।
তবে শালান বিন রাজিহ শালান জানিয়েছেন, সৌদি আরবের গোয়েন্দাপ্রধান আহমেদ আল-আসিরির পক্ষ থেকে খাসোগিকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ইস্তাম্বুলে পাঠানো গোয়েন্দা দলের প্রধানের নির্দেশে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।
সৌদি যুবরাজ কোনোভাবেই এ বিষয়ে কিছু জানতেন না বলে দাবি করা হয়েছে। এর আগে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানও অস্বীকার করেন। তবে সমালোচকরা সৌদি যুবরাজের জড়িত না থাকার দাবিটি মানতে নারাজ।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ২১ সৌদি কর্মকর্তার অনেককেই এর আগে সৌদি যুবরাজের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকতে দেখা গেছে। জেনারেল আসিরি ও কাহতানিকে তাঁদের পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় সৌদি আরবের ক্ষমতাধর যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের উপদেষ্টা সৌদ আল-কাহতানিসহ ১৭ সৌদি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এরা বিভিন্ন সময় যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করেছে বা অবস্থান করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এরা যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সৌদি সাংবাদিককে হত্যায় জড়িত এবং তাদের এ জন্য ফল ভোগ করতে হবে।
নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্তদের মধ্যে ইয়েমেন যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা সৌদ আল-কাহতানিসহ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দায়িত্বরত মাহের মুতেব এবং ইস্তাম্বুলের সৌদি কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ আলুতায়িবিও রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এই নিষেধাজ্ঞাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করে এ নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে আলোচনা করার কথা জানিয়েছেন।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তা‌ইয়েপ এরদোয়ান এর আগে বলেছেন, সৌদি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেই খাসোগি হত্যার নির্দেশ এসেছে। তবে তিনি বিশ্বাস করেন না যে বাদশাহ সালমান এই নির্দেশ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসোগলু সৌদি ডেপুটি রাষ্ট্রীয় আইনজীবীর বক্তব্যকে অপর্যাপ্ত বলেছেন। তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত ছিল বলে স্বীকার করার পরেও এখন বলা হচ্ছে, খাসোগি প্রতিবাদ করলে তাঁকে ইনজেকশন পুশ করা হয়। তারা লাশ টুকরো টুকরো করার বিষয়টি স্বীকার করলেও এটা তথ্য প্রদানের স্বতঃস্ফূর্ত ভঙ্গি নয়। ঘাতক দল হত্যা করে পরে নিহতের লাশ টুকরো টুকরো করার যন্ত্রপাতি সঙ্গে এনেছিল।’‌‌
তুর্কি কর্মকর্তারা এর আগে জানান, হত্যাকাণ্ডের কয়েক ঘণ্টা আগে সৌদি আরব থেকে আসা ১৫ সদস্যের দলে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মরত একজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ছিলেন, তাঁর কাছে হাড় কাটার করাতও ছিল।
এ হত্যাকাণ্ডের সত্যাসত্য উদঘাটনে তুরস্ক আরো তৎপরতা চালাবে জানিয়ে চাভুসোগলু বলেন, যারা নির্দেশ দিয়েছে এবং যারা জড়িত ছিল, কারো পরিচয় গোপন করা যাবে না।
জাপানের কর্মজীবী নারীরা কেন বিয়ে করেন না?

জাপানের কর্মজীবী নারীরা কেন বিয়ে করেন না?


মিনা সাইতো জাপানের একজন কর্মজীবী নারী। তাঁর বয়স ৩৯ বছর। তিনি জাপানের সাপ্পোরো শহরে তাঁর মা-বাবার সঙ্গে থাকেন। একটা বিজ্ঞাপন কোম্পানিতে কাজ করেন। অফিসে কাজের সময় সকাল নয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা হলেও ব্যস্ত বলে তিনি প্রতিদিন কাজ করেন প্রায় রাত নয়টা পর্যন্ত। বাসায় ফিরতে ফিরতে রাত দশটা হয়ে যায়।
এখন তাঁর কোনো প্রেমিক নেই। তাঁর জীবনে যে কোনো প্রেমিক ছিল না, তা নয়। যখন তিনি তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে বাইরে ঘুরতেন বা এক সাথে খাওয়া-দাওয়া করতেন, তখন তিনি স্বাভাবিকভাবেই আনন্দ পেতেন। তবে সেই আনন্দের চেয়ে তিনি বেশি শান্তি পেতেন তাঁর পরিবারের সঙ্গে থাকার সময়। কাজের ব্যস্ততার কারণে এখন তাঁর নতুন করে প্রেমে পড়ার সময় ও অনুভূতি কোনোটাই নেই। তাঁর মা-বাবা তাঁর বিয়ে নিয়ে দুশ্চিন্তা করলেও তাঁকে সরাসরি আগেও কিছু বলেননি, এখনো কিছু বলেন না।
২০১০ সালে জাপানের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সারা দেশে ৫০ বছর বয়সের পুরুষদের পাঁচজনের মধ্যে একজন এবং একই বয়সের নারীদের দশ জনের মধ্যে একজন অবিবাহিত। তাঁরা কখনোই বিয়ে করেননি। এই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছিল, এ হার ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।
মিনার সমবয়সী বান্ধবীদের মধ্যেও অবিবাহিত বান্ধবী অনেক আছে। তাঁরা একই ভাবে মনে করছেন, বিয়ে করার তেমন প্রয়োজন নেই। কারণ তাঁদের চাকরি আছে, বাসা আছে, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা আছে।
জাপানের সমাজে বর্তমানে জন্ম হার কমে যাচ্ছে। জাপানিরা সাধারণত বিবাহ পদ্ধতির মধ্যে সন্তানের জন্ম দেয়। জন্ম হার বাড়াতে চাইলে বিয়ের হারও বাড়ানো দরকার। সমাজের বিভিন্ন ব্যবস্থা ও নিয়ম বদল করে নেওয়া হলে জন্ম হার বাড়ানোর অবস্থা আরও ভালোভাবে তৈরি হবে। যেমন কর্মজীবী মায়েদের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া, সরকারি নার্সারি বা শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো ইত্যাদি। কিন্তু মুশকিল হলো বিয়ে মানুষের ব্যক্তিগত ধারণার ওপর অনেকটা নির্ভর করে।
বিয়ে করার প্রয়োজন আছে কি? জাপানের কর্মজীবী নারীদের এ রকম প্রশ্নের উত্তর আমরা কীভাবে দেব, তা অনেকটাই নির্ভর করবে বিয়ে আমরা কীভাবে দেখি তার ওপর।

১৭ সৌদি নাগরিকের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

১৭ সৌদি নাগরিকের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা



সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ১৭ সৌদি নাগরিকের  বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এ ঘোষণা দিয়েছে।
নিষিদ্ধ ওই ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সাবেক উপদেষ্টা সৌদ আল-কাহতানি ও সৌদি কনসাল জেনারেল মোহাম্মেদ আলোতাইবি।
এসব ব্যক্তিদের ওপর ঠিক কী ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, তা এখনো খোলাসা করা হয়নি।
এক বিবৃতিতে মার্কন অর্থমন্ত্রী স্টিভেন মানচিন বলেন, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে খাসোগি হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করা এবং কাজ করার ক্ষেত্রে বিপাকে পড়বেন।
গত ২ অক্টোবর বিয়ের কাগজপত্র আনতে ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে গেলে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে মরদেহ এসিডে গুলিয়ে দেয়া হয়।
‘গ্লোবাল ম্যাগনিটস্কি হিউম্যান রাইটস একাউন্টেবিলিটি অ্যাক্ট’ এর আওতায় এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করা হবে।
মানবাধিকারের মারাত্মক লঙ্ঘন এবং দুর্নীতির মতো অপরাধের ক্ষেত্রে এ আইনের আওতায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়ে থাকে।
খাশোগি হত্যাকাণ্ড নিয়ে সৌদি আরব একাধিকবার তাদের বিবৃতি পাল্টেছে। সবশেষে সৌদি আরব এ হত্যা পরিকল্পিত ছিল বলেও স্বীকার করে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী বলেন, ওয়াশিংটন ঘটনাটি আসলেই কি ঘটেছে তা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করে যাচ্ছে। এ হত্যায় দায়ী প্রত্যেককেই জবাবদিহি করানো হবে।

মালয়েশিয়ায় বিদেশী শ্রমিকদের লেভি বাড়ছে ২০%

মালয়েশিয়ায় বিদেশী শ্রমিকদের লেভি বাড়ছে ২০%



মালয়েশিয়ায় বিদেশী শ্রমিকদের লেভি বাড়ছে ২০% সাথে যুক্ত হচ্ছে ৩০০ থেকে ১৫০০ রিংগিত শ্রমিক বন্ড নামের নতুন কর!

আগামী বছর থেকেই মালয়েশিয়ায় বৃদ্ধি পাচ্ছে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসীদের লেভি। মালয়েশিয়ার বিভিন্ন সেক্টরের শিল্প মালিকদের সাথে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্তী এবং মানবসম্পদ মন্ত্রীর মিটিং শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মানব সম্পদ মন্ত্রণালয় কমিটির প্রথম বৈঠকে সভাপতিত্ব করার পর মালয়েশিয়ায় স্বরাষ্টমন্ত্রী তান শ্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা সংশ্লিষ্ট সেক্টর এবং উপ-সেক্টরগুলির সাথে আলোচনা করার পর সম্মত হয়েছি, তাই আমরা এটি বাস্তবায়ন করার পরে তাদের প্রতিকূল প্রভাব ফেলবে না”।

মুহাহিদীন বলেন, সংশ্লিষ্ট সেক্টরের ক্ষেত্রে লভ্যাংশের পরিমাণ আবার দেখা হবে, তাই এটি খুব বেশি ভারসাম্যহীন হবে না।

বর্তমানে মালয়েশিয়ায় প্রবাসীদের শ্রমিকদের যে লেভি নির্ধারিত আছে তার থেকে ২০% বৃদ্ধি করা হবে। যদিও লেভি বৃদ্ধির পরিমানটা খুব একটা বেশি নয়, তারপরেও কিছু উপ-সেক্টেরে লেভির পরিমানটা বেশি বলে মনে হতে পারে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

একবার আমরা এটি বাস্তবায়ন করার পরে আর কোনোভাবেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হবে না। আমরা এটা সহজেই বাস্তবায়ন করতে পারবো বলে মনে করছি। “তবে, অবশ্যই, এটা মন্ত্রিসভায় অনুমোদন সাপেক্ষে,”। মুহিউদ্দীন উল্লেখ করেন যে, সরকার আউটসোর্সিং প্রোগ্রাম বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

“পূর্বে এটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে ছিল কিন্তু এখন আমরা মানব সম্পদ মন্ত্রণালয়ে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তাই এটি বর্তমান ব্যবস্থাগুলির সাথে আরও নিয়মিত এবং একই হবে”।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানায়, মালয়েশিয়ায় প্রায় ১০০টি আউটসোর্সিং কোম্পানি রয়েছে এবং তাদের অধীনে ২৬ হাজারেরও বেশি কর্মী নিয়োগ রয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা তাদের কিছু সময় দিচ্ছি যাতে তারা তাদের কর্মচারীদের নির্বাচিত নিয়োগকারীদের কাছে স্থানান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এতে কিছু সময় লাগবে এবং আমরা মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়কে কাজগুলি পরিচালনা করার সুযোগ দেব। বিদেশী কর্মীদের ওপর নির্যাতন ও মানব পাচারের রিপোর্টার ভিত্তিতে তাদের দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে।

এই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, সর্বমোট ১৮ লক্ষ ৯২ হাজার ২৪৭ জন বিদেশী শ্রমিকদের মালয়েশিয়ায় অস্থায়ী কাজের পার্মিট দেয়া হয়েছে। এই সংখ্যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, নেপাল, ইন্ডিয়া এবং মায়ানমার এই ৫টি দেশের শ্রমিক সর্বোচ্চ পরিমান মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছে।

বর্তমানে চুক্তিবদ্ধ করা আছে ৩০০ থেকে ১৫০০ রিংগিত পর্যন্ত বন্ড পেমেন্ট সরকার বাজেয়াপ্ত করবে যদি কোনো শ্রমিক নির্ধারিত নিয়োগকর্তা থেকে পালিয়ে অন্যত্র চলে যায় অথবা নিজ দেশে ফেরত যায়। এই বন্ড পেমেন্ট বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছি আমরা।

তিনি বলেন, “বিভিন্ন ইউনিয়ন, বেসরকারি সংস্থা এবং সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা করার পর চূড়ান্ত পরিমানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে”। শ্রমিক বন্ডের সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

(মালয়েশিয়া প্রবাসীদের সবরকম সংবাদ সবার অাগে জানতে "মালয়েশিয়া প্রবাস. com" পেজে লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে এক্টিভ থাকুন)


ইন্দোনেশিয়ায় বিধ্বস্ত বিমানের কেউ বেঁচে নেই

ইন্দোনেশিয়ায় বিধ্বস্ত বিমানের কেউ বেঁচে নেই




ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : ইন্দোনেশিয়ার জাভা সাগরে বিধ্বস্ত হওয়া লায়ন এয়ারের জেটি৬১০ ফ্লাইটে থাকা ব্যক্তিদের কেউ বেঁচে নেই বলে জানিয়েছেন অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার এক কর্মকর্তা।
সোমবার (২৯ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে একথা জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম দ্য জাকার্তা গ্লোব।
সংস্থাটির অপারেশনাল ডিরেক্টর বামবাং সুরিয়ো বলেন, বিধ্বস্ত বিমানের প্রধান ধ্বংসাবশেষটি খুঁজে বের করা দরকার আমাদের। এ পর্যন্ত মৃতদেহের যেসব অংশ পাওয়া গেছে তার ওপর ভিত্তিতেই বলছি বিমানের কেউ বেঁচে নেই।
এর আগে সংস্থাটির মুখপাত্র ইউসুফ লতিফ জানিয়েছিলেন, বিমানটি ৩০ থেকে ৪০ মিটার পানির গভীরে তলিয়ে গেছে। আমরা এখনও বিমানের ধ্বংসাবশেষ খোঁজার চেষ্টা করছি।
এদিন বিমানটি স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ২০মিনিটে জাকার্তা থেকে পাংকাল পিনাংয়ের দিপাতি আমির বিমানবন্দরের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ জানায়, উড্ডয়নের মাত্র ১৩ মিনিট পরই বিমানটির সঙ্গে তাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
পাংকাল পিনাংয়ের অনুসন্ধান ও উদ্ধার অফিসের প্রধান দানাং প্রিয়ানদোকো জানান, বিমানটির পাইলট জাকার্তার সোয়েকারনো-হাত্তা বিমানবন্দরে ফেরার অনুমতি চেয়েছিলেন।
ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ সংস্থার প্রধান সুতোপো পুরও নুগরোহো টুইটারে কিছু ছবি পোস্ট করে লেখেন, বিমানের ধ্বংসাবশেষ ও যাত্রীদের জিনিসপত্র সাগরে ভাসছিল। এছাড়া তার পোস্ট করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানের ধ্বংসাবশেষ ও তেল পানিতে ভাসছে।
দেশটির সংবাদ সংস্থা আনতারা নিউজ জানায়, বিমানটিতে মোট ১৮৯ জন ছিলেন। তাদের মধ্যে ১৭৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক যাত্রী, ৩টি শিশু, ৬ জন ক্রু সদস্য এবং ২ জন পাইলট।